ডেস্ক রিপোর্ট:
‘এক্স-রে ফিল্ম না থাকার কারণে এক্স-রে কার্যক্রম সাময়িকভাবে বন্ধ’—এমন লেখা সেঁটে দেওয়া হয়েছে ভোলা ২৫০ শয্যা জেনারেল হাসপাতালের এক্স-রে কক্ষের সামনে। কক্ষটি তালাবদ্ধ। রোগীরা জানিয়েছেন, এক বছরের বেশি সময় ধরে হাসপাতালের এক্স-রে কক্ষটি তালাবদ্ধ অবস্থায় রয়েছে। সেখানে এক্স-রে করা হচ্ছে না। আর দালালেরা সেই সুযোগে তাঁদের বেসরকারি ক্লিনিক ও ডায়াগনস্টিক সেন্টারগুলোতে নিয়ে যাচ্ছেন হাসপাতালের রোগীদের। হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, ফিল্ম না থাকায় হাসপাতালটিতে এক্স-রে সেবা বন্ধ রয়েছে। জেলার ১৭ লক্ষাধিক মানুষের জন্য এই হাসপাতাল। সরকারি হাসপাতালটিতে এক্স-রে সেবা বন্ধ থাকায় বাধ্য হয়ে রোগীর স্বজনদের বেসরকারি ক্লিনিক থেকে কয়েক গুণ বেশি টাকা দিয়ে এক্স-রে করাতে হচ্ছে। ফলে চরম ভোগান্তি পোহাতে হচ্ছে রোগীদের। সবচেয়ে বেশি বিপাকে পড়তে হয় হাত ভাঙা রোগীদের। হাসপাতালটির অর্থোপেডিক বিভাগে আসা রোগীদের এক্স-রের জন্য বাইরের ক্লিনিক-ডায়াগনস্টিক সেন্টারে যেতে হয়। গতকাল বুধবার সকালে সরেজমিনে গিয়ে দেখা যায়, ভোলা সদরের ২৫০ শয্যাবিশিষ্ট জেনারেল হাসপাতালের নিচতলায় এক্স-রে কক্ষে তালা ঝুলছে। দরজায় সাদা কাগজে টানানো হয়েছে নোটিশ। তাতে লেখা ‘এক্স-রে ফিল্ম না থাকার কারণে এক্স-রে কার্যক্রম সাময়িকভাবে বন্ধ।’ হাসপাতালের ছয়তলায় অর্থোপেডিক চিকিৎসক শুভ প্রসাদের কক্ষের সামনে বেশ কয়েকজন রোগীকে দেখা যায় অপেক্ষা করতে। তাঁদের কারও হাত ভাঙা, আবার কারও পা।