দৈনিক ভোলা টাইমস্
|
দৌলতখান কৃষি শিক্ষা

ভোলা সদর হাসপাতাল: গণমাধ্যমে সংবাদ প্রকাশের পর চালু হলো এক্স-রে মেশিন

ভোলা সদর হাসপাতাল: গণমাধ্যমে সংবাদ প্রকাশের পর চালু হলো এক্স-রে মেশিন

ষ্টাফ রিপোর্টার:

দীর্ঘ এক বছরের বেশি সময় ধরে এক্স-রে মেশিনটি অচল ছিল। গণমাধ্যমে সংবাদ প্রকাশের পর চালু হলো ভোলা সদরের ২৫০ শয্যাবিশিষ্ট জেনারেল হাসপাতালের এক্স-রে মেশিন। গত ২৬ মার্চ ‘ভোলা সদর হাসপাতাল: বাড়তি খরচে নাকাল রোগী’ শিরোনামে গণমাধ্যমে সংবাদ প্রকাশিত হয়। জানা গেছে, ফিল্ম না থাকায় হাসপাতালটিতে এক্স-রে সেবা বন্ধ ছিল এক বছরের বেশি সময় ধরে। ‘এক্স-রে ফিল্ম না থাকার কারণে এক্স-রে কার্যক্রম সাময়িকভাবে বন্ধ’—এমন লেখা সেঁটে দেওয়া হয়েছিল ভোলা ২৫০ শয্যার জেনারেল হাসপাতালের এক্স-রে কক্ষের সামনে। কক্ষটি তালাবদ্ধ ছিল। জেলার ১৭ লক্ষাধিক মানুষের জন্য সরকারি হাসপাতালটিতে এক্স-রে সেবা বন্ধ থাকায় বাধ্য হয়ে রোগীর স্বজনেরা বেসরকারি ক্লিনিক থেকে কয়েক গুণ বেশি টাকা দিয়ে এক্স-রে করাতে বাধ্য হচ্ছিলেন। ফলে চরম ভোগান্তি পোহাতে হচ্ছিল রোগীদের। সবচেয়ে বেশি বিপাকে পড়তে হয়েছে হাত ভাঙা রোগীদের। হাসপাতালটির অর্থোপেডিক বিভাগে আসা রোগীদের এক্স-রের জন্য বাইরের ক্লিনিক-ডায়াগনস্টিক সেন্টারে যেতে হয়েছে। হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, এক বছরের বেশি সময় পার হলেও সংশ্লিষ্ট খাতে অর্থ বরাদ্দ না দেওয়ায় এবং অনুদান বন্ধ হয়ে যাওয়াসহ নানা কারণে এক্স-রে ফিল্ম কেনা সম্ভব হয়নি। ফলে হাসপাতালে ভর্তি হওয়া ও বাইরে থেকে এক্স-রে করতে আসা রোগী ও স্বজনদের বেসরকারি প্রতিষ্ঠানের ওপর নির্ভর করতে হচ্ছিল। এ বিষয়ে হাসপাতালের অর্থোপেডিক চিকিৎসক শুভ প্রসাদ বলেন, ‘ভোলা সদর উপজেলার ২৫০ শয্যার জেনারেল হাসপাতালের এক্স-রে মেশিনটি দীর্ঘদিন ধরে অচল ছিল। গণমাধ্যমে সংবাদ প্রকাশের কারণে দীর্ঘ এক বছরের বেশি সময় পর ১১ এপ্রিল (শনিবার) থেকে অবশেষে এক্স-রে মেশিনটি সচল হয়েছে।’  হাসপাতালটির আবাসিক চিকিৎসা কর্মকর্তা (আরএমও) আরাফাতুর রহমান বলেন, ‘হাসপাতালের এক্স-রে মেশিন বেশ ভালোমানের। কিন্তু ফিল্মের অভাবে এক বছরের অধিক সময় ধরে সেবাটি বন্ধ ছিল। কিন্তু আজ থেকে (১১ এপ্রিল) এটি সচল হয়েছে।’ জানতে চাইলে হাসপাতালের তত্ত্বাবধায়ক মো. তৈয়বুর রহমান আজকের পত্রিকাকে বলেন, ফিল্মের বরাদ্দ না দেওয়ায় এক্স-রে মেশিনটি এত দিন অচল ছিল। সেটি বরাদ্দ দেওয়ায় শনিবার সকাল থেকে এটি সচল হয়েছে। এখন নিয়মিত রোগীদের এক্স-রে করানো সম্ভব হচ্ছে। এতে মানুষের ভোগান্তিও কমবে।