দৈনিক ভোলা টাইমস্
|
দৌলতখান

ভোলার প্রবীণ আলেম ও জামায়াত নেতা অধ্যক্ষ মাওলানা মোস্তফা কামাল মারা গেছেন

ভোলার প্রবীণ আলেম ও জামায়াত নেতা অধ্যক্ষ মাওলানা মোস্তফা কামাল মারা গেছেন
  ভোলা প্রবিনিধি: ভোলা জেলার প্রবীণ আলেম, শিক্ষাবিদ ও রাজনীতিবিদ অধ্যক্ষ মাওলানা মোস্তফা কামাল ইন্তেকাল করেছেন (ইন্না লিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহি রাজিউন)। রোববার দুপুর ২টা ১২ মিনিটে রাজধানীর একটি বেসরকারী হাসপাতালে তিনি শেষ নি:শ্বাস ত্যাগ করেন। মৃত্যুকালে তিনি এক ছেলে দুই মেয়ে, স্ত্রী ও অগণিত আত্মীয়-স্বজন রেখে গেছেন। ভোলা জেলা জামায়াতে ইসলামীর সেক্রেটারী মাওলানা হারুনুর রশীদ মৃত্যুর বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। তিনি জানান, আজ বিকেল ৫টায় কল্যাণপুর ইবনে সিনা মেডিকেল কলেজ মাঠে মোস্তফা কামালের প্রথম জানাজা অনুষ্ঠিত হবে। সেখানে আমিরের জামায়াতসহ কেন্দ্রীয় নেতৃবৃন্দ উপস্থিত থাকবেন। আগামীকাল সকাল ৮.৩০ মিনিটে চরফ্যাশন কেন্দ্রীয় ঈদগাহ মাঠে মরহুমের জানাজা অনুষ্ঠিত হবে। মাওলানা মোস্তফা কামাল বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর কেন্দ্রীয় মজলিসে শূরা সদস্য, ভোলা জেলা জামায়াতের সাবেক আমীর এবং বরিশাল অঞ্চলের টিম সদস্য হিসেবে দীর্ঘদিন দায়িত্ব পালন করেন। সদ্য সমাপ্ত ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে তিনি ভোলা-৪ আসন থেকে দলীয় মনোনীত প্রার্থী ছিলেন। তিনি দ্বীনি শিক্ষা বিস্তার, সমাজকল্যাণমূলক কার্যক্রম এবং সংগঠন গঠনে গুরুত্বপূর্ণ অবদান রেখে গেছেন। অধ্যক্ষ মাওলানা মোস্তফা কামালের মৃত্যুতে গভীর শোক জানিয়েছেন জামায়াত আমির আমির ড. শফিকুর রহমান। তিনি তার ফেসবুক আইডিতে এক পোস্টে লেখেন, মহান রবের ডাকে সাড়া দিয়ে চলে গেলেন অধ্যক্ষ মাওলানা মোস্তফা কামাল (রাহিমাহুল্লাহ)। রাব্বুল কারীমের সাথে তার এই মুলাকাত রাহমাহ ও মাগফিরাহ এবং তার করা আমলের ওপর সীমাহীন বারাকাহমণ্ডিত হোক। জামায়াত আমির আরও লেখেন, আল্লাহ রাব্বুল আলামীন অধ্যক্ষ মাওলানা মোস্তফা কামাল (রাহিমাহুল্লাহ)-কে তার আবরার গোলামদের মধ্যে শামিল করুন এবং জান্নাতুল ফেরদাউসের মেহমান হিসেবে কবুল করুন। স্ত্রী ও সন্তান-সন্ততিদের আল্লাহ তাআলা তার নিজের অভিভাবকত্বে কবুল করুন। পরিবার, আপনজন, শুভাকাঙ্ক্ষী এবং সকল সহকর্মীদের রাব্বুল আলামীন সবরে জামিল আ’তা করুন। আমিন। উল্লেখ, মরহুম অধ্যক্ষ মাওলানা মোস্তফা কামাল ভোলা ও বরিশালে মজলুম জননেতা হিসেবে পরিচিত। আওয়ামী আমলে তিনি একাধিক মিথ্যা মামলা জেলহাজতে ছিলেন বছরের পর বছর। ফ্যাসিস্টের লালিত আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর হাতে নিহত হন তার বড় ছেলে।