বোরহানউদ্দিনে প্রবাসী স্বামীর স্বর্ণসহ টাকা আত্মসাত করে তৃতীয় বিবাহ করলেন তাসলিমা
বোরহানউদ্দিন প্রতিনিধিঃ
ভোলার বোরহানউদ্দিন উপজেলার দক্ষিন উদয়পুর গ্রামের মোঃ আলী হোসেনের মেয়ে তাসলিমা বেগমের বিরুদ্ধে স্বর্ণ ও টাকা আত্মসাত করার অভিযোগ পাওয়া গেছে। তার সাবেক দ্বিতীয় স্বামী একই উপজেলার টবগী ইউনিয়নের ৩ নং ওয়ার্ডের সিরাজের ছেলে সোলাইমান সৌদি আরব থেকে এক ভিডিও বার্তায় তিনি এ অভিযোগ করেন। তিনি ওই ভিডিও বার্তায় অভিযোগ করে বলেন, গত ১০ বছর আগে তাসলিমা বেগমের সাথে তার বিবাহ হয়। বিবাহের পর তিনি সৌদি আরব প্রবাসী হিসেবে কর্মরত আছেন । তার জিবনের উপার্জিত সকল অর্থ তার স্ত্রী তাসলিমা বেগমের কাছে পাঠায়। যাহা আনুমানিক ৭০ লক্ষ টাকা। তার উপার্জিত টাকা দিয়ে তার শশুর বাড়ীতে তার স্ত্রীর নামে জমি ক্রয় করে একটি পাকা বিল্ডিং ঘর নির্মান করে দেন তিনি। এছাড়াও ৫ ভড়ি স্বর্ণ দেন তার স্ত্রী তাসলিমা বেগমকে। শশুর বাড়িতে তার উপার্জিত টাকায় নির্মান করা বাসায় বসবাস করতেন তাসলিমা বেগম। তাকে ৩০ শে মার্চ ২০২৬ তারিখ গোপনে তালাক দিয়ে নতুন করে মঞ্জুর হোসেন নামক যুবককে তৃতীয় বিবাহ করেন। তার প্রবাস জীবনের উপার্জিত ৭০লক্ষ টাকা আত্মসাত করেছেন তার স্ত্রীসহ তার তৃতীয় স্বামী মঞ্জুর হোসেন। তাসলিমা বেগম ও তার বর্তমান স্বামী মঞ্জুর হোসেনের বিচার দাবী করছেন ভুক্তভোগী দৌদিআরব প্রবাসী সোলাইমান। ভুক্তভোগী সৌদি প্রবাসী সোলাইমানের মা অভিযোগ করে বলেন, তাসলিমা বেগমের প্রথম স্বামীর বাড়ী মনিরাম এলাকায় ছিলো। প্রথম স্বামীও প্রবাসী ছিলেন। গত ১০ বছর আগে তার প্রথম স্বামীর কয়েক লাখ টাকা আত্মসাত করে তার ছেলেকে বিবাহ করেন প্রতারক তাসলিমা বেগম। বর্তমানে তার ছেলের ৭০ লাখ টাকা আত্মসাত করে তৃতীয় বিবাহ করেছেন পক্ষিয়া ইউনিয়নের লাল দিঘিরপাড় এলাকার মঞ্জুর হোসেনকে। তাসলিমা বেগম ও তার বর্তমান স্বামী মঞ্জুর হোসেনের বিরুদ্ধে স্বর্ণসহ ৭০ লাখ টাকা আত্মসাত করার অভিযোগ করেছেন তিনি। তাসলিমা বেগমের বাবার বাড়ীর স্থানীয়রা জানান, দুই স্বামীর উপার্জিত টাকায় জমি ক্রশ করে একটি বিল্ডিং ঘর নির্মান করেছেন। বিবাহ করে টাকা আত্মসাত করাই তার পেশা। বর্তমানে তিনি তৃতীয় বিবাহ করেছেন। যে কোন মুহুর্তে তার সাথেও এমন ঘটনা ঘটতে পারে। তবে তালাকের একদিন পরেই বিবাহ করাটা কতটুকু আইনগত ও ইসলামের শরিয়তের বৈধ সেটা তাদের জানান নেই? এম প্রশ্ন করেছেন স্থানীয়রা। তাসলিমা বেগমের তৃতীয় স্বামী মঞ্জুর হোসেনের কাছে জানতে চাইলে তিনি জানান, তার প্রথম স্ত্রী লিভার সমস্যা জনিত কারনে ৬ মাস আগে মৃত্যু হয়। পরে দ্বীতিয় বিবাহ করতে কয়েকটি মেয়ে দেখেন তিনি তাসলিমা বেগম তার আগের স্বামীকে তালাক দেওয়ায় তার পর তিনি তাকে বিবাহ করেছেন। বর্তমানে তাসলিমা বেগমকে নিয়ে তিনি তার বাড়িতে সংসার করছেন। এদিকে তাসলিমা বেগমের কাছে জানতে চাইলে তিনি বলেন, তার দ্বিতীয় স্বামী সোলাইমান বিবাহের ১০ দিন পরেই বিদেশ চলে যায়। তার খোঁজ খবর না নেওয়ায় তাকে তালাক দিয়ে তিনি তৃতীয় বিবাহ করেছেন। স্বর্ণ ও ৭০ লাখ টাকা আত্মসাতের অভিযোগ মিথ্যা বলে জানান তিনি। অন্যদিকে তথ্য সংগ্রহ করার সময় উপস্থিত সাংবাদিকদের সামনেই ভুক্তভোগী সোলাইমানের মাকে হুমকি প্রদান করেছেন মঞ্জুর হোসেন। আইন আদালতে তাকে জরালে পায়ের তলার মাটি রাখবেনা বলে হুমকি প্রদান করেন তিনি।